
(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মার্চ ২০২৫ : হোটেল রেডিসনে কূটনৈতিক ও রাজনীতিবীদদের সম্মানে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের দেয়া ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইফতার মাহফিলে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ইফতার মাহফিলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এর দেয়া বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো
সম্মানীয় অতিথিবৃন্দ,
ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গন- আসসালামুআলাইকুম।
পবিত্র রমজানের এই দিনে আপনাদের সবার উপস্থিতি আমাদের সম্মানিত করেছে, আনন্দিত করেছে। জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে সকলকে জানাচ্ছি উষ্ণ অভ্যর্থনা ও মাহে রমজানের অভিনন্দন, “রমজানুল মোবারক”।
সূর্য অস্ত যাবার সাথে সাথেই আমরা সারাদিনের উপবাস মানে রোজা ভাঙ্গবো ইনশাআল্লাহ্। এই ইফতার মাহফিলে শরীক হওয়ার জন্য সকলকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি।
রমজান শুধু খাবার এবং পানীয় গ্রহন থেকে বিরত থাকার মাস নয়। এই মাস আমাদের সংযম শেখায় সহমর্মিতা শিক্ষা দেয়। একজন মানুষ যখন রোজা রাখে তখন সে বুঝতে পারে, না খেয়ে থাকার কষ্ট কেমন। এই মাস আমাদের নতুনভাবে নিজেকে পরিশুদ্ধ হবার তাগিদ দেয়। মানুষের প্রতি সহানুভুতিশীল হওয়ার ও মমত্ববোধের শিক্ষা দেয়।
বর্তমানে দেশ ও জাতি একটা কঠিন সময় অতিবাহিত করছে। এর থেকে উত্তরন এখনকার বড় চ্যালেঞ্জ। ঐক্য বাংলাদেশের জন্য সবসময়ই শক্তি। বাঙ্গালী তাদের সকল আন্দোলন সংগ্রামে চরম সফলতা পেয়েছে যখন সমগ্রজাতি ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছে।
কিন্তু এখন আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি অহেতুক দ্বন্দ্ব ঐক্য বিনষ্ট করছে। এমন বিভাজন দেখছি যা সমাজকে ক্ষত বিক্ষত করছে। এমন কার্যকলাপ চোখে পড়ছে যা আমাদের সমৃদ্ধ ও সহনশীল ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ন নয়।
আমরা যে বাংলাদেশকে চিনি এবং ভালবাসি সেখানে এমন ঘটনা অনভিপ্রেত। আমাদের জনগন সর্বদা শান্তি, সম্প্রীতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার মূল্য দিয়েছে। আমাদের অবশ্যই ঐক্যের পথকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হবে।
এই যাত্রা শুরু করার জন্য পবিত্র রমজান মাসের চেয়ে আর কি ভালো সময় হতে পারে? আসুন রমজান অনুপ্রানিত করে, এমন সহানুভূতির, সমঝোতার, বন্ধুত্বের চেতনাকে আমরা আলিঙ্গন করি। আসুন আমরা একসাথে হাতে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশের জন্য একটি উজ্জল ভবিষ্যৎ গড়তে কাজ করি। এমন একটি ভবিষ্যৎ যেখানে শান্তি ও সম্প্রীতি বিরাজ করবে। একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহনশীল হব।
জাতি হিসেবে বাংলাদেশ সবসময়ই ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বিদ্বেষ নয়’ নীতি লালন করেছে। এটি হল সেই পথপ্রদর্শক আলো, যা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমাদের পথকে আলোকিত করে। এটি অবশ্যই নিজস্ব সীমানার মধ্যেও আমাদের আলিঙ্গন করতে হবে।
সম্মানিত সুধি, আমাদের সাথে এই বিশেষ সন্ধ্যা ভাগ করে নেয়ার জন্য আপনাদের আবারও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। রমজানের রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের প্রাপ্তি এবং ঈদের আনন্দ আপনাদের হৃদয় এবং পারিপার্শিকতাকে সমৃদ্ধ করুক। আসুন বন্ধুত্ব ও সমঝোতার বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করি।
অনুগ্রহ করে ইফতার এবং পরবর্তী খাবার উপভোগ করুন।
আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ
Iftar party speech 2025
Excellencies, Distinguished guests, Ladies and gentlemen
Assalamualikum & very good evening to you all.
It fills my heart with immense joy to see you all here this evening, sharing in the spirit of this sacred month. Your presence is a profound honour, and we are deeply grateful for your joining us at this Iftar gathering.
As the sun sets and we prepare to break our fast, I extend to each of you, a warm welcome, and Ramadan Mubarak.
Ramadan, as you know, is more than just abstaining from food and drink. It is a journey of the soul, a profound exercise in empathy and compassion. Through fasting, we are reminded of struggles of those less fortunate, prompting us to extend a helping hand and share our blessings.
It is also a time for unity and reconciliation, a moment to bridge divides and embrace the spirit of brotherhood and sisterhood. Ramadan teaches us to open our hearts to all, regardless of background or belief, fostering peace and harmony in our communities and across the globe.
However, I must acknowledge the challenges we face within our own beloved nation. We are witnessing a troubling discord, a fracturing of the unity in different issues.
Unity is and has been the strength of Bangladesh. People of Bangladesh all the time won in its movements only when they could forge a strong bond of unity among themselves.
The country is now passing through a turbulent time. We need to be united to overcome the difficulties.
But now, we see divisions that wounded our society, and actions that betray the very essence of our rich and tolerant heritage.
This is not the Bangladesh we know and love. This is not the spirit of our people, who have always valued peace, harmony, and mutual respect. We must, together, rediscover the path of unity and restore the law and order that are the foundations of a just society.
And what better time to begin this journey than during the holy month of Ramadan? Let us embrace the spirit of compassion that Ramadan inspires. Let us work together, hand in hand, to build a brighter future for Bangladesh, a future where peace and harmony prevail.
Bangladesh, as a nation, has always cherished the principle of “friendship with all, malice towards none.” This is the guiding light that illuminates our path on the international stage, and it is the guiding principle we must embrace within our own borders.
My dear Excellencies, thank you once again for sharing this special evening with us. May the blessings of Ramadan and the joy of Eid fill your hearts and homes. Let us strengthen the bonds of friendship and understanding that unite us.
Please, enjoy the Iftar and the meal that follows.
Thank you once again.
কূটনৈতিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা, বৃটিশ হাইকমিশনার সারা কুক, চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ে রাষ্ট্রদূত, রাশিয়ার উপ রাষ্ট্রদূত, নেপালের ফাস্ট সেক্রেটারি, যুক্তরাষ্ট্র, অষ্ট্রেলিয়া, সুইডেন, জার্মানি, ইইউ, ইরান, কসোভো, ইতালি, আর্জেন্টিনা, ভ্যাটিকান সিটির রাষ্ট্রদূতগণ।
রাজনীতিবীদদের মধ্যে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বিকল্পধারার মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী, জাসদ (ইনু) যুগ্ম সম্পাদক- মোঃ মহসিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট জুয়েল রহমান, ইসলামি ঐক্যজোট – যুগ্ম মহাসচিব মাহমুদুল হক হাফেজ্জী, বিশিষ্ট শিক্ষাবীদ ও জানিপপ এর চেয়ারম্যান ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ।
জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কো- চেয়ারম্যান আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু, কো- চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, প্রেসিডিয়াম সদস্য – মীর আব্দুস সবুর আসুদ, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এটিইউ তাজ রহমান, আব্দুর রশিদ সরকার, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারীর, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, নাজমা আকতার, আলমগীর সিকদার লোটন, লিয়াকত হোসেন খোকা, শেরিফা কাদের, মোস্তফা আল মাহমুদ, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক, মনিরুল ইসলাম মিলন, মাশরুর মওলা, এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, মোঃ জসিম উদ্দিন, মোঃ আরিফুর রহমান খান, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা – বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মমতাজ উদ্দিন, ইকবাল হোসেন তাপস, মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, ইঞ্জিঃ মাইনুর রাব্বি চৌধুরী রুম্মন, জাহিদ হাসান লিমন, ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন, একে এম নূরুজ্জামান জামান, আলহাজ্ব আবু তাহের, এম জি রহমান মামুন, সাহাবুদ্দিন পাটোয়ারীর, মোঃ বোরহান উদ্দিন, ভাইস-চেয়ারম্যান -সুলতান আহমেদ, নূরুন্নাহার বেগম, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহিন, এম এ সোবহান, আকতার হোসেন দেওয়ান, মোহাম্মদ শাহজাহান মিয়া, যুগ্ম মহাসচিব শামসুল হক, শামীম আহমেদ রিজভী, জুবের আলম রবিন, চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারী খন্দকার দেলোয়ার জালালী, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আবুল খায়ের, মোঃ আঃ হান্নান, মাহমুদ আলম, এম এ রাজ্জাক খান, ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক – এডভোকেট আবু তৈয়ব, সমরেশ মন্ডল মানিক, কেন্দ্রীয় নেতা – মাহবুবুর রহমান খসরু, নজরুল ইসলাম সরদার, মাহমুদুল হক মনি,জাতীয় কৃষক পার্টির আহ্বায়ক এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, সদস্য সচিব এম এ কুদ্দুস মানিক, জাতীয় শ্রমিক পার্টির সভাপতি মেফতাহ উদ্দিন জসিম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ শান্ত, তরুণ পার্টির আহ্বায়ক – জাকির হোসেন মৃধা, সদস্য সচিব মোড়ল জিয়া উর রহমান, পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন – জাতীয় ওলামা পার্টির সদস্য সচিব – মুফতি ফিরোজ শাহ, জাতীয় ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মারুফ ইসলাম তালুকদার প্রিন্স, সদস্য সচিব আরিফ আলী, মটর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শিপন, সদস্য সচিব মোঃ আব্দুর রহিম।
খন্দকার দেলোয়ার জালালী
যুগ্ম মহাসচিব পদ মর্যাদায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর প্রেস সেক্রেটারি।