– গোলাম মোহাম্মদ কাদের

(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

নির্বাচন নিয়ে মানুষের মাঝে শংকা বিরাজ করছে

– গোলাম মোহাম্মদ কাদের

ঢাকা, সোমবার ২৩ অক্টোবর ২০২৩ঃ

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, ২৩ অক্টোবর উপজেলা দিবস। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই দিনটি জাতীয় ভাবেই পালন করার দাবি জানাচ্ছি। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা জাকজমকপূর্ণ ভাবে দিনটি পালন করতে পারছিনা। নির্বাচন সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে হবে কিনা তা নিয়ে আশংকা আছে। নির্বাচন জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে কিনা তা নিয়ে সাধারণ মানুষ চিন্তিত। নির্বাচন নিয়ে মানুষের মাঝে শংকা বিরাজ করছে। মানুষের কাছে অগ্রাধিকার হচ্ছে সামনের নির্বাচন। ভবিষ্যতে আমাদের কি হবে এ নিয়ে মানুষ অতংকিত। দেশবাসীর কাছে উপজেলা দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের ইতিহাসে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তনের মত এত বড় কল্যাণকর সিদ্ধান্ত পল্লীবন্ধু ছাড়া আর কেউ নিতে পারেনি। এ সময় তিনি শ্রদ্ধাভরে পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে স্মরণ করেন।

আজ দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে ”উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন দিবস” উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় গোলাম মোহাম্মদ কাদের এ কথা বলেন।

গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, কিছু দিন আগে আমেরিকা গণতন্ত্র সম্মেলনে বাংলাদেশ কে আমন্ত্রণ করে নাই। সম্প্রতি জার্মানীর এক প্রতিষ্ঠান ১২৯টি দেশের মধ্যে সার্ভে করে ২০২৩ সালের রিপোর্টে বলেছে ৪৮টি দেশে স্বৈরশাসন চলছে। তারা বলেছে বাংলাদেশ, লেবানন, মোজাম্বিক, নিকারাগুয়া ও উগান্ডা এই ৫টি দেশে নতুন করে স্বৈরশাসন চালু হয়েছে। বাংলাদেশে স্বৈরশাসন চলছে। মুক্তিযুদ্ধের নাম দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধংস করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা ধংস করেছে আওয়ামী লীগ। দেশে ভোগ বৈষম্য বেড়েছে, প্রান্তিক মানুষ আরো দরিদ্র হচ্ছে। গেলো তিন মাসে ৪ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান কমেছে। ১ কোটি মানুষ ইউরোপের মত জীবন যাপন করছে তাই দেশে বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। লুটপাটের জন্য মেগা প্রকল্প তৈরী করা হচ্ছে। ১০৮ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ঋণ আর দেশী ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ১০৯ বিলিয়ন ডলার ঋণ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি মানুষের মাথাপিছু ঋণ ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রবাসী আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেশি তাই রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। প্রতি মাসে ১ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ কমে যাচ্ছে। শ্রীলংকা যখন দেউলিয়া হয়েছিলো তখন এমনভাবেই তাদের রির্জাভ কমেছিলো। রিজার্ভ ১০ বিলিয়নে ঠেকলে দেশকে দেউলিয়া হিসেবে ধরে নেয়া হয়। তবে, শ্রীলংকা এখন আমাদের চেয়ে ভালো আছে। ডলারের দাম বাড়ছে তাই প্রতিটি পণ্যের দাম বাড়ছে। আইএমএফ এর হিসাবে দেশে সাড়ে ৩ লাখ কোটি টাকা খেলাপী ঋণ। অন্য একটি সূত্র বলছে, দেশের খেলাপী ঋণের পরিমান ৪ লাখ কোটি টাকা। ১ লাখ কোটি টাকা প্রতি বছর পাচার হচ্ছে। সরকার টাকা ছাপাচ্ছে, এতে মুদ্রাস্ফিতি বাড়ছে সেই সাথে বাড়ছে দ্রব্যমূল্য। দেশের ব্যবসায় সিন্ডিকেট আছে, তারাই দেশ চালাচ্ছে। তারাই টাকা পাচারের সাথে জড়িত। মালামালের দাম বাড়ার কারন হিসেবে বলা হয় করোনা ও ইউক্রেন যুদ্ধের কথা। সারা বিশে^ এখন মালামালের দাম কমছে। বিশ^বাজারে গমের দাম কমেছে ৩৫ ভাগ, আমাদের দেশে আটার দাম বেড়েছে ২৫ ভাগ। পিয়াজের দাম কমেছে ৬৩ ভাগ, আমাদের দেশে ৯৩ ভাগ বেড়েছে। চিনির দাম বিশ^বাজারে বেড়েছে ৩৩ ভাগ আর আমাদের বেড়েছে ৫৮ ভাগ। বিশ^বাজারে আদার দাম বেড়েছে ১৭২ ভাগ আর আমাদের দেশে বেড়েছে ২০৫ ভাগ। সিন্ডিকেটের কারনেই আমাদের দেশে পণ্যের দাম বেড়েই চলছে। এর সাথে জড়িত ঐ ১ কোটি মানুষ। সাধারন মানুষ অনেক কষ্টে আছে। দেশের ১৬ কোটি লোক কোনভাবে বেঁচে আছে। এতে সরকারের কোন মাথা ব্যাথা নেই। এখন দেশে মেগা প্রকল্প করা হচ্ছে দুর্নীতির সম্ভাব্যতা যাচাই করে। দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার জন্য দেশের ভয়াবহ অবস্থা। ১ কোটি মানুষ লাভবান হচ্ছে আর ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে ১৬ কোটি মানুষ। সরকার বলছে ক্ষমতার বাইরে গেলে তাদের বিএনপি-জামায়াত পিটিয়ে মারবে। বিএনপি-জামায়াত লাগবে না, ১৬ কোটি মানুষকে যেখানে নিয়ে গেছেন তারা ১টি করে ঢিল ছুড়লেই আপনারা শেষ হয়ে যাবেন। তাই পুলিশ ছাড়া চলতে পারবেন না। দেশবাসী কি আপনাদের আজীবন ক্ষমতায় রাখবে ? এটা ভাবেন কেমন করে ?

এসময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, বর্তমান বানিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, দেশের ৪ কোটি মানুষ নাকি ইউরোপের মত জীবন যাপন করছে। কথাটা আংশিক সত্য, আসলে দেশের ১ কোটি মানুষ ইউরোপের মত জীবন যাপন করছে। যারা আওয়ামী লীগ করে বা আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল হিসেবে প্রশাসনসহ বিভিন্ন স্তরে আছেন তারাই ইউরোপের মত জীবন যাপন করছে। আওয়ামী লীগ সরকার দেশকে বিভক্ত করেছে। শাসন ও শোষন টিকিয়ে রাখতে একটি শ্রেনীকে অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। বৈষম্য বঞ্চনার জন্ম দেয়, বঞ্চনা দারিদ্রের জন্ম দেয়। এ করনেই মানুষ অবিচারের শিকার হয়ে নির্যাতিত হচ্ছে। অনেক জ্ঞানী-গুনী মানুষও ইউরোপের মত জীবন যাপন করতে ১ কোটি মানুষের মাঝে সামিল হয়েছে। গ্রাম পর্যায়ের অনেক নেতাও এখন ইউরোপের মত জীবন যাপন করছে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাঙালীরা বৃটিশ ও পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভাষা আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছিলো। বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই এক সময় স্বাধীনতা সংগ্রামে রুপ নেয়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধংস করছে আওয়ামী লীগ। বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেই আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ মানে এদেশের মালিক হচ্ছে জনগণ। এদেশের মানুষ প্রতিনিধি নির্বাচন করে দেশ চালাবে, প্রতিনিধিরা জনগণের ইচ্ছেমত দেশ চালাতে ব্যর্থ হলে নির্বাচনের মাধ্যমে পরির্বতন করাবে জনগণ। এমন ক্ষমতার মালিক হচ্ছে জনগণ। এখন কি জনগণের কথায় দেশ চলছে? জনগনের কথায় সরকার পরিবর্তন হচ্ছে?

এসময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরো বলেন, দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে ৪৬০টি উপজেলা পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক ইউনিট চালু করে ইতিহাস গড়েছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ঊপনিবেশিক ব্যবস্থা ভেঙে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে সরকারের সেবা গণমানুষের দুয়ারে পৌছে দিতে চেয়েছেন পল্লীবন্ধু। তৃণমূল পর্যায়ে জবাবদিহিতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উপজেলা ব্যবস্থায় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছিলো। স্বাস্থ্য, কৃষি, পশু পালন থেকে শুরু করে সকল সেবা নিশ্চিত করে উপজেলা থেকে রাজধানী পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ উন্নত করা হয়েছিলো। মহামারি করোনাকালে কোটি কোটি মানুষকে টিকা দেয়ার কথা উল্লেখ করে বলেন, উপজেলা ব্যবস্থা থাকার কারনেই দ্রুত টিকা দেয়া সম্ভব হয়েছে। ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হলেই দুর্নীতির বিস্তার ঘটে। ক্ষমতা গণমূখী হলে প্রশাসনে জবাবদিহিতা থাকে, সেখানে দুর্নীতি কম হয়। কায়েমী স্বার্থবাদীরা উপজেলা ব্যবস্থার বিরোধীতা করেছে। ৯১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি উপজেলা ব্যবস্থা বাতিল করলেও জনগণের দাবির মুখে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে আবারো উপজেলা ব্যবস্থা চালু করেন। কিন্তু সেই উপজেলা ব্যবস্থা হচ্ছে ভাওতাবাজী। পল্লীবন্ধু প্রবর্তিত উপজেলার প্রাণ শক্তি হত্যা করে জবাবদিহিতাহীন উপজেলা ব্যবস্থা চালু করেছে। উপজেলা চেয়ারম্যানকে বর্তমান ব্যবস্থায় ঠুটো জগন্নাথ বানিয়ে রাখা হয়েছে। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা যেনো প্রশাসনের অধিনে কাজ করছে। এরশাদ সাহেবের চিন্তা এমন ছিলো না। আমরা উপাজেলা পদ্ধতি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চাই।

এসময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ফর্মুলা ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে, আনুপাতিক হারে ফলাফলের নির্বাচন করতে হবে। আমাদের কাছে সুষ্ঠু নির্বাচনের ফর্মুলা আছে, সবাই সম্মত হলেই আমরা ঘোষণা করবো। আওয়ামী লীগ আর বিএনপির এক দফা মানুষ বোঝে না, দেশের মানুষ চায় সুষ্ঠু নির্বাচন। আমরা নির্বাচনে যাবো কি যাবোনা, এটা কথা নয়। আমরা চাই সুষ্ঠু নির্বাচন।

কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশের মানুষ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চায়। দেশের মানুষ নির্বাচন নিয়ে চিন্তিত। পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টি জিএম কাদের এর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ। জিএম কাদের গণমানুষের শক্তিতেই শক্ত কথা বলেন। এবার আমরা পল্লীবন্ধুর লাঙ্গল নিয়ে মানুষের সামনে যাবো।

কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, দেশের মানুষ দুটি দলের ওপর বিরক্ত। আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না তারা। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে, জাতীয় পার্টি আবারো ক্ষমতায় যেতে পারবে। তাই দলকে আরো সংগঠিত করতে সবার প্রতি আহবান জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির মাননীয় চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি’র সভাপতিত্বে ও যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু’র সঞ্চালনায় উপজেলা দিবস এর আলোচনায় সভায় বক্তব্য জাতীয় পার্টি মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো-চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, ভাইস চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, জাতীয় যুব সংহতি’র সাধারণ সম্পাদক আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন, কৃষক পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, শ্রমিক পার্টির সভাপতি একেএম আশরাফুজ্জামান খান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহ সভাপতি এমএ ছোবহান, জাতীয় ছাত্র সমাজ এর সভাপতি আল মামুন, যুব মহিলা পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদা রহমান মুন্নি ।

উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম আব্দুল মান্নান, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, সোলায়মান আলম শেঠ, সৈয়দ দিদার বখত, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা শেরীফা কাদের এমপি, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, মোঃ খলিলুর রহমান খলিল, সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী, ভাইস চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ সেলিম, সালাহ উদ্দিন আহমেদ মুক্তি, মোঃ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য মোঃ হেলাল উদ্দিন, হুমায়ুন খান, আনোয়ার হোসেন তোতা, মাখন সরকার, কাজী আবুল খায়ের, সুমন আশরাফ, এমএ রাজ্জাক খান, হাফিজ উদ্দিন মাস্টার, ইঞ্জিনিয়ার এলাহান উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সাত্তার গালিব, আক্তার হোসেন দেওয়ান, জাকির হোসেন মৃধা, মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, দ্বীন ইসলাম শেখ, হাফেজ ক্বারী ইসারুহুল্লাহ আসিফ, কেন্দ্রীয় নেতা শফিকুল ইসলাম দুলাল, শেখ সারোয়ার হোসেন, আব্দুস সাত্তার, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওবায়দুল করিম মোহন, মোঃ রেজাউল করিম, মখলেছুর রহমান বস্তু, মামুনুর রহমান, আবু নাসের বাদল, মোহাম্মদ আলী, মো: আরিফুল ইসলাম রুবেল, শরিফুল ইসলাম শরীফ, আনোয়ার হোসেন শান্ত, শাহীন আরা সুলতানা রীমা, আল আমিন সরকার, ওলামা পার্টির আহ্বায়ক ড. ইরফান বীন তুরাব আলী, জাতীয় সাংস্কৃতিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আহমেদ, ছাত্র সমাজ এর সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম খান, মটর শ্রমিক পার্টির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান শিপন, সদস্য সচিব মোঃ আব্দুর রহিম, তরুণ পার্টির সদস্য সচিব মহানগর উত্তর শেখ মোঃ কামাল উদ্দিন স্মরণ।

খন্দকার দেলোয়ার জালালী

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর

প্রেস সেক্রেটারি -০২