(প্রেস বিজ্ঞপ্তি)

ঢাকা, রবিবার, ১লা জানুয়ারী—২০২৩ :

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে রওশন এরশাদের বক্তব্য:—

জাতীয় পার্টির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর এই শুভদিনে আমার প্রাণপ্রিয় সকল নেতৃবৃন্দকে জানাই আন্তরিক

অভিনন্দন এবং মুবারকবাদ। আজকের এই শুভদিনে পরম শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে, যিনি তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন আমাদের প্রাণপ্রিয় জাতীয় পার্টিকে। একই সাথে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি জাতীয় পার্টির সকল প্রয়াত নেতাকর্মীগণকে যাদের অপরিসীম আত্মত্যাগে জাতীয় পার্টি আজও একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। আমার মনে পড়ছে, রবিউল ইসলাম রবি, তরুন বসু, হেডলি, স্বপন ঘোষসহ যারা এ দলের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন তাদের কথা। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

দীর্ঘ ১১ মাস পর আজ আমি এই প্রথম জাতীয় পার্টির ৩৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে সরাসরি উপস্থিত থেকে মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে আপনাদের সম্মুখে কিছু কথা বলতে সামর্থ হয়েছি। এতে আমি খুবই আবেগ আপ্লুত। আল্লাহর অশেষ রহমতে, আমার স্মরণশক্তি এখনও আগের মত প্রখর। ঢাকা এসে আমি অসংখ্য দলীয় নেতা—কর্মীর সাথে মতবিনিময় করেছি। রাজনৈতিক বিষয় ও সমসাময়িক ঘটনা সম্পর্কে সম্যক ধারণা করেছি।

আপনারা জানেন, এই দীর্ঘ সময়ে আমি ব্যাংককে একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলাম। আপনারাসহ দেশবাসী সবাই আমার জন্য দোয়া করেছেন। আপনাদের দোয়ায় সুস্থ্য হয়ে আমি আবার দেশে ফিরে আসতে পেরেছি। সেজন্য আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞ।

বিশেষ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। তিনি ব্যক্তিগতভাবে শত ব্যস্ততার মাঝেও আমার খোঁজ—খবর নিয়েছেন।

আমি আরও কৃতজ্ঞ আমার ছেলে সাদ এরশাদ এমপি ও তার স্ত্রীর প্রতি। তারা দীর্ঘ সময় আমার পাশে থেকে নিয়মিত দেখাশোনা ও সেবা শুশ্রুষা করেছে।

জন্মলগ্ন থেকে এ পার্টি জনগণের সামনে এমন কতগুলো কর্মসূচি তুলে ধরেছে, যা অন্য কোন দলে দেখা যায়নি। বিশেষ করে জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ, বিচার বিভাগ ও আইন বিভাগে পরিবর্তনের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দর্শন ছিল রাষ্ট্রের ০৩ (তিন) বিভাগের ব্যাপারে পরিবর্তন সাধন। সে লক্ষ্যে তিনি উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি হাইকোর্টের বিকেন্দ্রীকরণ করে সাধারণ মানুষের দুয়ারে উচ্চ আদালতকে নিয়ে গিয়েছেন। তিনি প্রদেশ গঠন করে এক কেন্দ্রীক প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কাঠামোর পরিবর্তন করে স্বাধীন দেশের উপযোগী কাঠামো গড়তে চেয়েছিলেন। আজ আমাদের দায়িত্ব হলো তার অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করা। আজকের এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমি অঙ্গীকার করছি যে, সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রদর্শিত পথে কাজ করে যাব। তার স্বপ্নের পতাকা ধারণ করব ও বহন করে যাব।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,

সাবেক রাষ্ট্রপতি পল্লীবন্ধু এরশাদ ছিলেন একজন মহাসংস্কারক। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার সংস্কার কর্মসূচি একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ। জাতীয় পার্টি পূণগঠিত হবে সকলের মতামতের ভিত্তিতে। আমাদের তৃণমূলের ও বিখ্যাত নেতা—কর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে।

জাতীয় পার্টি সবসময় গঠনমূলক রাজনীতিতে বিশ্বাসী। জাতীয় পার্টি কখনো ধ্বংসাত্মক রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলনা। ভবিষ্যতেও ধ্বংসাত্মক এবং অপরাজনীতিতে জড়াবে না। জাতীয় পার্টি শান্তিতে বিশ্বাসী। আমরা আমাদের সুআচরণ, ভালবাসা এবং গঠনমূলক রাজনীতির মাধ্যমে জনগণের মন জয় করে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হবো ইনশা—আল্লাহ।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংবিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশগ্রহণ করবে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আশানুরূপ ফলাফল অর্জন করার লক্ষ্যে আমাদেরকে এখন থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে। আমাদের সাংগঠনিক কর্মতৎপরতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে। তৃণমূল পর্যায়ে জাতীয় পার্টিকে শক্তিশালী করতে হবে। স্বজনপ্রীতি পরিহার করে সকল পর্যায়ের কমিটি গঠনে যোগ্যতার মাপকাঠি বজায় রাখতে হবে।

রাজনৈতিক জীবনে চলার পথে ছোটখাট মান অভিমান সৃষ্টি হতেই পারে। নিজেদের মধ্যে মান অভিমান ভুলে যেতে হবে। আমাদেরকে ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থ আগে দেখতে হবে। বয়োজ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দকে সম্মান দেখাতে হবে। সকলকে রাজনৈতিক শিষ্ঠাচার মেনে চলতে হবে। সৌজন্যতাবোধ থাকতে হবে। দলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা নিজেরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে পার্টি শক্তিশালী থাকবে। মনে রাখতে হবে জাতীয় পার্টি একটি পরিবার। আমরা সকলেই জাতীয় পার্টি পরিবারের গর্বিত সদস্য।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে যোগ্য, জনপ্রিয় এবং ত্যাগী নেতাদের অগ্রাধিকার দিতে হবে। জাতীয় পার্টির জন্য অতীত এবং দুঃসময়ে যাদের ব্যাপক ত্যাগ ও শ্রম ছিল তাদেরকে দলীয় বিভিন্ন পদে যথাযথ মূল্যায়ন করতে হবে। ইন্শাআল্লাহ দলের আগামী কাউন্সিলে এই বিষয়কে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হবে। দলের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিনিয়র নেতৃবৃন্দদের একত্রে বসে আলোচনার মাধ্যমে সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। দলীয় কর্মীদের মনোভাবকে মূল্যায়ন করতে হবে। তাহলেই নিজেদের মধ্যে মান—অভিমান অনেকটাই কমে যাবে। একইভাবে দলও সাংগঠনিকভাবে যথেষ্ঠ শক্তিশালী হবে।

আমি জাতীয় পার্টির প্রতিটি সদস্যের মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ঐক্যবদ্ধ জাতীয় পার্টি ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী দলে পরিণত হয়ে আবারও দেশের সেবা করার সক্ষমতা অর্জন করবে। আপনারা সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন। আপনাদের প্রতি আমার দোয়া ও ভালবাসা সবসময়। আল্লাহ হাফেজ।

পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জিন্দাবাদ।। জাতীয় পার্টি জিন্দাবাদ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এড. মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি।

সমাবেশে সিনিয়র কো—চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেছেন— দেশের উন্নয়ন ও জনগণকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতেই জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। তিনি বলেন জাতীয় পার্টি সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যে বিশ^াস করে না। জাতীয় পার্টির বিশ^াস গণতন্ত্রে। জাতীয় পার্টি আজীবন সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছে। সংসদের ও রাজপথে দেশে ও মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই করছে জাতীয় পার্টি। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি কোন দলের লেজুড় হবে না। জাতীয় পার্টি আরও সুসংহত হবে, আরও শক্তিশালী হবে। বেগম রওশন এরশাদ ও গোলাম মোহাম্মদ কাদের এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ। ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি তাঁর বক্তৃতায় আরও বলেন, জ¦ালানী তেল ও দ্রব্যমূল্য উর্দ্ধগতির কারনে দেশের মানুষ সিমাহীন কষ্টে আছেন। তিনি দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। সাংবিধানী প্রতিষ্ঠান গুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এসময় ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই সমাবেশে উপস্থিত থেকেও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বক্তৃতা করছেন না। পল্লীবন্ধু আমাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখিয়েছেন।

সভাপতির বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, সমাবেশে উপস্থিত থেকেও যাদের মামলার কারনে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বক্তৃতা দিতে পারেননি, তাদের যায়গা জাতীয় পার্টিতে হবে না। তিনি বলেন জীবিত এরশাদের চেয়ে মৃত এরশাদ অনেক বেশি শক্তিশালী। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বার বার প্রমাণ করেছে, বর্তমান ব্যবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে পল্লীবন্ধুর ফরমুলায় আনুপাতিক হারে নির্বাচন করতে হবে। শুধু আনুপাতিক হারে নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দূর্নিতী ও দূঃশাসনের কারনে দেশের মানুষ বিরক্ত হয়ে পড়েছে। দেশের মানুষ আর এই দল দুটিকে চায় না। দেশের মানুষ চায় জাতীয় পার্টিকে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখবে।

সমাবেশে কো—চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, জাতীয় পার্টিতে কোন বিভক্তি নেই। বেগম রওশন এরশাদ ও গোলাম মোহাম্মদ কাদের এর নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ। জাতীয় পার্টি সব সময় উন্নয়ন, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং নির্বাচনের পক্ষে। কোন ষড়যন্ত্রই জাতীয় পার্টির ঐক্যে ফাটল ধরাতে পারবে না। দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের মুখে অনেক সমালোচনা। কিন্তু, জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে কোন সমালোচনা নেই। দেশের মানুষ জাতীয় পার্টিকে আবারও রাষ্ট্র ক্ষমতায় দেখতে চায়।

সমাবেশে জাতীয় পার্টির কো—চেয়ারম্যান কাজী ফিরোজ রশিদ এমপি বলেন, জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও ষড়যন্ত্র হতে পারে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। তিনি বলেন কোন ষড়যন্ত্রেই জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের বাইরে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, বেগম রওশন এরশাদ ও গোলাম মোহাম্মদ কাদের পাশাপাশি বসে আছেন। জাতীয় পার্টিতে কোন অনৈক্য নেই। জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র সফল হবে না।

সমাবেশে জাতীয় পার্টির কো—চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেছেন, প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এই সমাবেশ প্রমাণ করে জাতীয় পার্টিতে নব জাগরন শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, বেগম রওশন এরশাদ ও জি এম কাদের একই সুতায় গাঁথা। কোন ষড়যন্ত্রে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা বিভ্রান্ত হবে না। তিনি বলেন জাতীয় পার্টি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এবং ইসলামি মূল্যবোধে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনে রাজনীতি করছে। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের মাধ্যমে আমরা পল্লীবন্ধুর স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলবো

সমাবেশে কো—চেয়ারম্যান এড. সালমা ইসলাম এমপি বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখি দল। সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় পার্টি সোচ্চার। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় জাতীয় পার্টির অবদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। সংসদে ও রাজপথে জাতীয় পার্টি দেশ ও মানুষের কথা বলবে। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। বেগম রওশন এরশাদ ও গোলাম মোহাম্মদ কাদের এর নেতৃত্বে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়তে জাতীয় পার্টি নেতা—কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান এড. সালমা ইসলাম এমপি।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশ সফল করতে সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজার হাজার নেতাকর্মী মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে উপস্থি হন। তারা শ্লোগানে শ্লোগানে মুখর করে তোলেন জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যলয় চত্বর।

প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সমাবেশে বক্তৃতা করেন— জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি, সিনিয়র কো চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, কো—চেয়ারম্যান এবি এম রুহুল আমিন হাওলাদার, কাজী ফিরোজ রশিদ এমপ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, এড. সালমা ইসলাম এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য আলহাজ¦ শফিকুল ইসলাম সেন্টু ও জহিরুল আলম রুবেল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন— জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, ফকরুল ইমাম এমপি, সৈয়দ মোঃ আব্দুল মান্নান, সুনিল শুভরায়, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, এটি ইউ তাজ রহমান, নাসরিন জাহান রতনা এমপি, এড. মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঞা, আলমগীর সিকদার লোটন, মোঃ জহিরুল ইসলাম জহির, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা— অধ্যক্ষা রওশন আরা মান্নান এমপি, এম এ কুদ্দুস খান, ড. নুরুল আজহার শামীম, মনিরুল ইসলাম মিলন, এম এ তালহা, মোঃ হারুর আর রশিদ, হেনা খান পন্নি, মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ নুরুল ইসলাম তালুকদার এমপি, এড লাকি বেগম, প্রফেসর ড. গোলাম মোস্তফা, নাজনিন সুলতানা, ইঞ্জি: সিরাজুল হক, মাহমুদুর রহমান লিপটন, এড. মোমতাজ উদ্দিন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, ইঞ্জি: মনির আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান খান, নিগার সুলতানা রানি, আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, শেখ আলমগীর হোসেন, সালমা হোসেন, শফিউল্লা শফি, জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, এইচ এম শাহরিয়ার আসিফ, আমিরুদ্দিন আহমেদ ডালু, মোঃ জসিম উদ্দিন ভূইয়া, যুগ্ম মহাসচিব— গোলাম মোহাম্মদ রাজু, রাহ্গীর আল মাহি সাদ এরশাদ এমপি, সামসুল হক, এড. আব্দুল হামিদ ভাসানী, বেলাল হোসেন, একে এম আশরাফুজ্জামান খান, সালাউদ্দিন খোকা মিয়া, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, ঢাকা মহানগর উত্তর, দক্ষিণ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সর্ব স্থরের নেতৃবৃন্দ।

খন্দকার দেলোয়ার জালালী

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর

প্রেস সেক্রেটারি — ০২